ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর কার্যকরী উপায়।

gg
fg

ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায় কী?

ওয়েবসাইট তৈরির পর আমরা প্রথম থেকেই যে জিনিসটার উপর গুরুত্ব দেই তা হলো ভিজটর। ভিজিটর ই মূলত একটি ওয়েবসাইটের প্রধান। এখন আমরা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানো এবং ভিজিটর ধরে রাখার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ন উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব। প্রথমে যেটা জনতে হবে , সাইটে ভিজিটর কিভাবে নিয়ে আসা যায়।

প্রাথমিক অবস্থায় আমরা ভিজিটর আনার জন্য কয়েকটি মাধ্যম প্রয়োাগ করব। যেমন: ১। Social media। ২। সার্চ ইঞ্জিন। ৩।ফোরাম পোষ্টিং/ প্রশ্নউত্তর সাইট। ৪।Video Marketing ও ৫। ব্লগ কমেন্টিং।

ক)Social media

একটি ওয়েবসাইট যখন একদম নতুন তখন সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কেউ জানে না। তাই আপনার ওয়েবসাইটের টার্গেট ভিজিটরদের কাছে পৌছানোর সব থেকে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হতে পারে Social media. এক্ষেত্রে আপনি যদি ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, স্নাপচ্যাট, রেডিট সম্পর্কে বেশ ভালো ধারনা রাখেন তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এইসব Social media সাইট থেকে ভিজিটর কে আপনার ওয়েবসাইটে নিতে পারেন।

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে বলতে গেলে Social media ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটই খুব ভালো পজিশনে যেতে পারে না। একজন টিনেজার দিনের মধ্যে ৯ ঘন্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যায় করে থাকে। যেখানে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ দিনে সবমিলিয়ে ইউটিউবে ৪০মিনিট, ফেসবুকে ৩৫ মিনিট, স্নাপচ্যাটে ২৫মিনিট, ইন্সটাগ্রামে ১৫ মিনিট এবং টুইটারে ১ মিনিট সময় ব্যায় করে। এ থেকে বুঝে নেয়া যেতে পরে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য কতোটা প্রয়োজনীয়।

ব্লগ কমেন্টিং করা:

ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনার আরেকটি অণ্যতম পদ্ধতি হতে পারে ব্লগ কমেন্ট করা।আপনার সাইট এর নিশ রিলেটেড যত ব্লগ আছে খুজে বের করে কমেন্ট অপশনে কমেন্ট করে সাইটের লিংক হাইপার LINk করে দিতে হয়। এর ফলে সেই লিংকের মাধ্যমে ওই ব্লগের ভিজিটর রা আপনার ওয়েবসাইট সহজেই ভিজিট করবে।

এটি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর ভাষায় বলা হয়ে থাকে ব্যাক লিংক। এর ফলে সাইটে যেমন ভিজিটর আসে তেমনি গুগল সার্চ রেজাল্টেও সাইট অনেক উপরের দিকে চলে আসে। তবে ব্লগ কমেন্ট বা ব্যাংকলিংক তৈরি করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট থেকে আমরা ব্যাকলিংক নিচ্ছি সেটা যেনো অবশ্যই নিশ সম্পর্কীত হতে হবে। তা না হলে গুগস সেই ব্যাক লিংককে তেমনন ভ্যালু দিবে না।

উপরের আলোচনার মাধ্যমে আমরা ওয়বসাইটে ভিজিটর কিভাবে আনা যায় সে ব্যাপারে বিশেষ ধারনা পেলাম। তবে মূল কাজটা কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বরং মূল কাজটা মাত্র শুরু এখানেই। কারন একটা ওয়েবসাইটে শুধু ভিজিটর আনলেই কমিপ্লীট হবে না। সেই ভিজিটরকে অবশ্যই ধরে রাখার System করতে হবে। এর বাইরে দেখাযায় অনেক ভিজিটর ওয়েবসাইট লোড হওয়ার পরপর ই ভিজিটর সাইট টিতে ডুকা বন্ধ করে দেন। এটা যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্য খুবই বেশ খারাপ লক্ষন। ওর ফলে ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট বাড়তে থাকে।

চাহিদা পূরণ না হওয়ার কারন

এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন ও ভালো একটা ব্যাপার যে, আপনার ধারনা থাকতে হবে একজন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট থেকে কি ধরনের কন্টেন্ট আসা করতে পারে। অপনার অবশ্যই উচিৎ হবে সেই ধরনের কান্টেন্ট ই আপনার ওয়েবসইটে রাখা। ধরা যাক একজন ভিজিটর একটা বই কেনার জন্য একটা ওয়েবসাইটে ঢুকলেন। কিন্তু তিনি যে সাইট টা ভিজিট করছেন সেটা শুধুমাত্র একটি বই রিভিউ এর সাইট। এখানে ভিজিটরের আসা ফুলফিল না হওয়ার কারনে ভিজিটর সাথে সাথে সেই ওয়েবসাইট টি বন্ধ করে দিবে।

খ) সাইট এর ডিজাইন সাদাসিধা নাকি ডায়নামিক

অনেকসময় ওয়েবসইট কে ডায়নামিক করতে গিয়ে আমরা সাইটের চেহারাই চেন্জ করে দেই। এর ফলে ভিজিটর বিরক্ত হয়ে যান এবং সাইট ভিজিট করা বন্ধ করে দেন।এক্সেত্রে ওয়বেসোইট বানানোর আগেই ওয়েবসাইটের কালার এবং থিম নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই সাবধান হওয়া উচিৎ। মূলকথা সাইটের ভিজিটর ই একটা সাইটের প্রধান। তাই ওয়েবসাইট বানানোর আগে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখা প্রয়োজন।

আমরা বুঝতে পারলাম যে ওয়েবসাইটে শুধু ভিজিটর আনাই প্রধান কাজ নয় বরং তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ন ওয়েবসাইটের ভিজিটরকে ধরে রাখা এবং ভিজিটর যে পরবর্তীতে আবার ওয়েবসাইট টি ভিজিট করে সেরকম ব্যবস্থা গ্রহন করা। অর্থাৎ ভিজিটরকে আস্থা করতে হবে যে, “তুমি যে ধরনের ওয়েবসাইট বা কন্টেন্ট খুজছো তার জন্য এই ওয়েবসাইট টাই পারফেক্ট” এবার চলুন জেনে নেই ওয়েবসাইটে ভিজিটর ধরে রাখার আরো কয়েকটি উপায়।

ব্লগের পৃষ্ঠাগুলি অবশ্যই তৈরি করুন

আপনি যখন একটি ব্লগ তৈরি করবেন তখন আপনার কোনও “ব্লগ” পৃষ্ঠা দরকার হবে না। তবে কিছু আছে আপনার ব্লগে কেবলমাত্র পৃষ্ঠা তৈরি করার প্রয়োজন হবে.

সম্পর্কে পাতা রাখা:

আপনার পাঠকরা যদি আপনার সামগ্রী চয়েস করেন তবে সেগুলি আপনার পৃষ্ঠায় যাবে। যদি কেউ আপনার ব্লগ পছন্দ করে থাকেন তবে তারা আপনার সম্পর্কে আরও জানতে চাইবে। তারা প্রথম স্থানটি যাচাই করবে তা হ’ল আপনার নিজের পৃষ্ঠা. প্রায় একটি পৃষ্ঠা আপনাকে আপনার পাঠকদের সাথে আপনার বাস্তব জীবনে মিল রেখে দিয়ে একটি বাস্তব সংযোগ তৈরির সুযোগ করে দেয়।

আপনার প্রায় পৃষ্ঠায় আপনার যা করা প্রয়োজন: )

আপনি যদি আপনার পাঠকদের সাথে একটি বন্ধন বিকাশ করতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই গল্প বলতে হবে। আপনার প্রথম জিনিসটি আপনার প্রয়োজন তোমার ভালো ব্যাকস্টোরি। আপনি কেন আপনার ব্লগটি শুরু করলেন তার পিছনেনর গল্প।

মাত্র আপনি ব্লগটি কেন শুরু করেছেন সে সম্পর্কে খোলামনের এবং সৎ হন.

ব্যক্তিগত ফিনান্স সম্ের্ক কোনও ভাল তথ্যের অভাবে যদি আপনি বিরক্ত হয়ে থাকেন তবে কেন আপনি কেন বিষয়টি ভাবছেন তা লিখুন। আপনি যদি স্ব-সহায়তা সম্পর্কে লিখেন এবং নিজের-সহায়তার সাথে সম্পর্কিত সমস্ত কিছু ঘৃণা করেন মার্কসন মার্ক না, তারপরে আপনি কেন মনে করেন সে সম্পর্কে লিখতে পারেন। দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিবেন এবং আপনি কেন নিজের ব্লগটি শুরু করলেন তা লিখুন।