ফেসবুকে ফলোয়ার বাড়ানোর সহজ কিছু কৌশল।

gg
fg

  ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা বাড়ানোর সহজ কিছু কৌশল

প্রযুক্তি নির্ভর এই বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অনেকেরই ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা কম কিংবা মনের মতো বন্ধু নেই বললেই চলে। তবে এরও সমাধান আছে। তাহলে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই কী করলে আপনার কাছে বেশি বেশি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট আসবে।

১. ফেসবুকে নিজের সম্পর্কে সঠিক ও বিস্তারিত তথ্য দিন। আপনার হোম টাউনি, কোথায় বসবাস করেন, কোথায় চাকরি করেন, কোথায় পড়াশুনা করেছেন ইত্যাদি তথ্য সঠিকভাবে দিন।

২. সবাই যাতে আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারে, সেটিংসে গিয়ে সেটি করফার্ম করুন।

৩. নিয়মিত স্ট্যাটাস দিন। মাঝে মাঝে তথ্যমূলক ও জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দিন। কোথাও ঘুরতে গেলে সেখানকার বিভিন্ন তথ্য ও মজার দিকে তুলে ধরে ছবিসহ পোস্ট করুন।

৪. প্রোফাইল পিকচারে অবশ্যই নিজেরই ছবি দিন। না হলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিকে অনেকে ফেক মনে করতে পারেন। ৫. নিজের প্রোফাইলে যা পোস্ট করবেন, তার যেন বৈধতা থাকে সেদিকে নজর রাখবেন। বানান ও ব্যাকরণগত দিক থেকেও লেখা যাতে নির্ভুল থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৬. সেটিংসে গিয়ে এসব তথ্যকে অবশ্যই পাবলিক করে রাখুন।

৭. অন্যদের পোস্ট করা ছবি ও স্ট্যাটাস (পছন্দ হলে) নিয়মিত লাইক ও কমেন্ট করুন।

৮. ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হয়ে সেসব গ্রুপের বিভিন্ন ইতিবাচক পোস্টে লাইক-কমেন্ট করুন। এতে গ্রুপের অন্যদের নজরে আসবেন আপনি।

আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে গোপনে কে আসে? জেনে নিন, এই সহজ উপায়ে

আপনার ফেসবুক প্রোফাইল কে দেখল, তা কি বের করতে চান? কিংবা কয়জন আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুঁ মারল বা সর্বশেষ আপলোড করা ছবিটি কারা দেখল, সেটি জানতে চান?

ফেসবুক লাইক, শেয়ার, ইমোশন, মন্তব্য দেখার সুযোগ দেয়, কিন্তু কারা প্রোফাইল দেখে গেল, সেটি জানার সুযোগ দেয় না। কিছু কিছু অ্যাপ ব্যবহার করে অনেকে সেটি বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু অ্যাপের সে ফল ঠিকঠাক হয় না। সহজ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করলেই জেনে যাবেন আপনার ফেসবুক প্রোফাইল কে দেখল সে বিষয়টি। এ জন্য আপনাকে যা করতে হবে:

১. আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

২. আপনার টাইমলাইনে গিয়ে রাইট ক্লিক করে ভিউ পেজ সোর্স নির্বাচন করুন।

৩. আপনি পুরো কোডভর্তি একটি পেজ পাবেন। বিভ্রান্ত হবেন না। এখান থেকেই কি-বোর্ডে কন্ট্রোল প্লাস এফ বাটন চাপুন। একটি সার্চ অপশন আসবে।

৪. সার্চ অপশন বক্সে InitialChatFriendsList টাইপ করুন।

৫. এর পাশে নম্বরের একটি তালিকা পাবেন। আপনার টাইমলাইনে যাঁরা এসেছে তাঁদের আইডির তালিকা পাবেন।

৬. ওই ব্যক্তি আপনার প্রোফাইল এসেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনি facebook.com সাইটে যান এবং ফেসবুক ডটকমের পাশে স্ল্যাশ চিহ্ন দিয়ে আইডি পেস্ট করে দিন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি আইডি নম্বর হয় 100001825159730, তবে আপনি লিখবেন facebook.com/100001825159730

৭. মনে রাখতে হবে, প্রথম যে আইডিটি রয়েছে, সেটি আপনার প্রোফাইলে ঘন ঘন আসে আর যে আইডি সবার শেষে, সেটি কখনো ভুল করে হয়তো আপনার আইডিতে এসেছে।

ফেসবুকে কখন আপনি কী করেছেন তা খুঁজবেন যেভাবে

পুরনো কথা মনে করিয়ে দিতে ফেসবুক চালু করেছিল অন দিস ডে নামের একটি ফিচার। তবে এর বাইরেও যদি পুরনো আরও কিছু দেখতে চান, তাহলে আপনার জন্যই ফেসবুকের এই ফিচারটি। ফিচারটি ব্যবহার করে এখন পর্যন্ত আপনি যেসব ছবি ও পোস্টে লাইক দিয়েছেন, তা দেখতে পারবেন।

আপনার লাইক দেওয়া সব ছবি দেখতে চাইলে ফেসবুকের সার্চ বারে গিয়ে লিখুন photos like by me এবং এন্টার বাটন চাপুন। এরপর একসাথে আপনি সব ছবির দেখা পাবেন যেগুলোতে আপনি বিভিন্ন সময় লাইক দিয়েছিলেন।

আর লাইক দেওয়া সব পোস্ট দেখার জন্য posts liked by me লিখে সার্চ দিন। তাহলে সব পোস্ট দেখতে পারবেন। এই দীর্ঘ তালিকা থেকে আরও সহজে কোনো ছবি বা পোস্ট খুঁজে বের করার সুবিধাও রেখেছে ফেসবুক। ছবি বা পোস্টটি প্রকাশের সময়, স্থান কিংবা কার পোস্ট দেখতে চান, সে হিসেবে ফিল্টার করার সুযোগও থাকছে।

তবে এই ফিচারটি ব্যবহার করে যে শুধু নিজের লাইক দেওয়া ছবি ও পোস্ট দেখতে পারবেন তা নয়। এর মাধ্যমে দেখা যাবে বন্ধু তালিকায় থাকা কিংবা না থাকা কোনো ব্যক্তির লাইকের ইতিহাসও।

এমনকি মার্ক জাকারবার্গ কখন কোন পোস্ট কিংবা ছবিতে লাইক দিয়েছে, তাও দেখার সুযোগ আছে এই ফিচারটিতে।

ফেসবুকে যেভাবে আপনিও হতে পারেন সেলিব্রিটি

এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই দিনের অর্ধেক সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকতে পছন্দ করে।বর্তমানে গোটা বিশ্বে অনেক মানুষই আছেন যাদের মানুষ চেনে তাদের দারুণ ফেসবুক পেজের জন্য।

ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য আপনাকে আলাদা করে চিনবে মানুষজন। কিন্তু দেখা যায়, ভাল পোস্ট করলে বা ভাল ছবি আপলোড করলেও সবসময় ভাল সাড়া পাওয়া যায় না। এতে মন খারপ হয়ে যায় অনেকের।

আর মন খারাপ হওয়াটায় স্বাভাবিক এত ভালো কিছু পোস্ট করেও আপনি তেমন পরিচিতি পাচ্ছেন না সকলের কাছে। তবে বলে রাখি এমনটা হচ্ছে হয়তো আপনার কিছু ভুলের জন্যে।

সে ভুলগুলো শুধরে নিলেই আপনি হয়ে যাবেন ফেমাস এবং ধীরে ধীরে আপনিও হয়ে উঠবেন একজন ফেসবুক সেলেব্রিটি।নিজের উৎসাহের বিভিন্ন গ্রুপে যোগ দিন। মতামত বিনিময় করুন।

পারলে কয়েকজন ফেসবুক সেলিব্রেটিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন। পোস্ট দেওয়ার সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ছুটির দিনে রাতে বা ছুটির আগের দিনে রাতে ফেসবুকের পোস্ট খুবই কার্যকরী।

১. ফেসবুকে আজকাল অনেক ভালো ভালো গ্রুপ আছে। এইসব গ্রপের সক্রিয় সদস্য হয়ে যান, সকলের সাথে পরিচিয় বাড়ান। সেখান থেকে বেছে বেছে পছন্দের মানুষের অ্যাড করুন। দেখবেন ভারি হচ্ছে আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট।

২. অশ্লীল বা সাম্প্রদায়িক পেজে লাইক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। পোস্ট ও পেজের কনটেন্ট পাবলিক করে রাখুন। বিভিন্ন গ্রুপে যোগ দিন

৩. ফেসবুকের মাধ্যমে সামাজিক কর্তব্য পালন করুন। সেটা রক্তদান হতে পারে, দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ানো হতে পারে কিংবা অন্য কিছুও হতে পারে। ফেসবুক ফ্রেন্ড সার্কেলে থাকা সকলের জন্মদিনের রিমাইন্ডার দেয়। জন্মদিনে বন্ধুদের উইশ করতে ভুলবেন না।

৪. নিজের রসবোধকে কাজে লাগান। মানুষকে দৃষ্টি আকর্ষণের সবচেয়ে সহজ উপায় হল রসবোধ। আপনি যে বিষয় নিয়ে উৎসাহী, সেই বিষয়ের একটি পেজ শুরু করুন।

৫. নিয়মিত প্রোফাইল পিকচার বদলান। যিনি ছবি তুলে দিচ্ছেন, তার নাম উল্লেখ করতে ভুলবেন না।

৬. গান, সিনেমা, বই এমন নানা জিনিসের রিভিউ দিন। তবে যা নিয়ে আপনার জ্ঞান কম, সেটা নিয়ে লিখতে যাবেন না।

৭. বন্যা, ভূমিকম্পের মতোর আপৎকালীন বিষয়ে যত পারবেন, খবর শেয়ার করুন। সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নিজের বক্তব্য নিয়ে পোস্ট দিন। তবে সেই ঘটনার বিশ্লেষণ যেন যুক্তিপূর্ণ হয়।

৮. গুরুত্ব বুঝে লাইক দিন। সবকিছুতে লাইক ঠুকে দিলে আপনিই গুরুত্ব হারাবেন। নিতান্ত দরকার না হলে কিংবা পোস্টের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক না হলে শুধুমাত্র লাইকের লোভে কাউকে ট্যাগ করবেন না। এতে অনেকেই বিরক্ত হন।

৯. যতটা পারবেন, নিজে থেকে বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠানোর থেকে বিরত থাকুন। কেউ বন্ধুত্বের অনুরোধ প্রত্যাখান করলে তাকে উত্যক্ত করবেন না।

ফেসবুক প্রোফাইল পিকচারে লাইক সংখ্যা বাড়াবেন যেভাবে

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে না এমন মানুষ এখন খুঁজে পাওয়া দায়। ফেসবুক ব্যবহাকারী প্রায় সবাই প্রতিদিন নিত্যনতুন ছবি বা নিজের মনের কথা লিখে নিজ ওয়ালে পোস্ট করেন আবার অনেকে সুন্দর সুন্দর ফেসবুক প্রোফাইল তৈরি করেন। আর এতে লাইক , কমেন্টস যত বেশি পড়ে নিজের কাছে তত আনন্দ লাগে। কিন্তু লাইক পেতে গেলে চারটি জিনিস মাথায় রাখলেই আপনি হিট।

শুধু ফেসবুক নয়, হোয়াটসঅ্যাপেও যদি এই টিপসগুলি ফলো করে প্রোফাইল পিকচার দেন, তাহলেও আপনার ভক্তের সংখ্যা হুট করে বেড়ে যাবে।

• প্রোফাইল পিকচারে যেন আপনার মুখ স্পষ্ট বোঝা যায়। মাথা থেকে কাঁধ পর্যন্ত ফ্রেমের মধ্যে থাকা জরুরি। আর মাথায় রাখবেন আপনাকে বাস্তবে যেমন দেখতে, তেমনই যেন ছবিতে দেখতে লাগে। এমন কোনও এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন না, যাতে আপনার গায়ের রং এক্কেবারে বদলে যায়।

তার থেকে নিজেকে যেমন দেখতে, সেটাই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মেলে ধরুন।

• ছবির মান যেন ভাল হয়, অর্থাৎ ঝাপসা বা অন্ধকার যেন না হয়। একান্তই যদি সেই ছবি ডিপি করেন, তা হলে এডিট করে নিন।

• প্রোফাইল পিকচার লাগানোর সঠিক সময় হল উইকেন্ডে অর্থাৎ শুক্রবার বা শনিবার রাতের দিকে। কারণ এই সময়ে অফিসের কাজ থেকে ছাড়া পেয়ে অনেকেই ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত থাকে। অফিস-টাইমে নতুন প্রোফাইল পিকচার লাগালে অনেকের চোখই তা এড়িয়ে যাবে।

• ঘন ঘন প্রোফাইল পিকচার বদলাবেন না। তাতে আপনার ছবি দেখতে দেখতে মানুষের একঘেঁয়ে লাগবে।

• একই ধরনের ভঙ্গিতে, বা একই পোশাক পরে ছবি দেবেন না। এতেও একঘেঁয়ে লাগে। বরং বিভিন্ন স্থানে, বিভিন্ন পোশাকে ছবি দিন।

• অনেকেই আছেন যাঁরা বিভিন্ন পোশাক পরে এক নির্দিষ্ট জায়গায় সেলফি তুলে প্রোফাইল পিকচার করেন। চেষ্টা করুন সেলফির বদলে সাধারণ ছবি দিতে। সেই ছবি যদি ডিএসএলআর ক্যামেরায় তোলা হয়, তা হলে আরও ভাল হবে।

• ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড যেন ভাল হয়।

• ছবিটি কোথায় তুলেছেন তা উল্লেখ করুন।

• ছবিতে প্রাসঙ্গিক ক্যাপশন দিন।

• ছবিটি যে তুলেছেন তাঁকে সৌজন্য দিন। কিন্তু অযথা কাউকে ট্যাগ করবেন না।

তবে এত কিছুর পরেও যদি লাইক না পড়ে, তাতে নিরাশ হবেন না। কারণ দিনের শেষে আপনি নিজের কাছে কেমন, সেটাই সবথেকে জরুরি।

ফেসবুকের পাঁচ মজাদার অপশন যা জানেন না অনেকেই

দৈনিক প্রায় ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক ব্যবহার করেন। কিন্তু ফেসবুকে এমন বেশ কিছু মজাদার অপশন রয়েছে যা এখনও অনেকেই জানেন না। আসুন জেনে নিই, ফেসবুকের দারুণ মজাদার ৫টি বিষয়।

১. ফেসবুকে আপনার প্রথম পাঠানো মেসেজটি দেখতে পারবেন। তার জন্য টাইমলাইনের নিচের দিকে অন্তহীন যাত্রা করে লাভ নেই। দ্রুত করতে হলে ফেসবুকের যাবতীয় ডেটা ডাউনলোড করতে হবে। জেনারেল সেটিংস-এ গিয়ে সবচেয়ে নিচের লিঙ্কটিতে যেতে হবে। এ কাজটি সম্পন্ন হতে অবশ্য বেশ খানিকটা সময় লেগে যাবে। ডেস্কটপে কাজটি করতে হলে ফেসবুকের মেসেজে যান। কোনও বন্ধুর মেসেজে গিয়ে লোড ওল্ডার মেসেজেস-এ যান। সেখানে আপনার এই বন্ধুর করা যাবতীয় মেসেজ চলে আসবে। এবার লোড ওল্ডার মেসেজ অপশনের পাশে যে নম্বরটি এসেছে ইউআরএল-এ গিয়ে তার আগের নম্বরটি টাইপ করুন। ব্যাস! এভাবে আরও পুরনো মেসেজে চলে যেতে পারবেন। এক সময় পাবেন একেবারে প্রথম মেসেজটি।

২. ফেসবুকে কাউকে এড়িয়ে যেতে চান? তাহলে আপনি সম্ভবত রিড রিসিপস এর ভক্ত নন। ফেসবুকে এই অপশনটি বন্ধ করার উপায় নেই। তাই থার্ড-পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। ডেস্কটপ ব্যবহারকারীদের জন্যে ফেসবুক আনসিন অ্যাপ এবং ক্রসরাইডারস চ্যাট আনডিটেকটেড অ্যাপ এই কাজটি করতে পারবে।

৩. ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার থেকে লাস্ট অ্যাকটিভ টাইম সরাতে হলে ম্যাসেঞ্জার অ্যাপটি ডিলিট করে দিন মোবাইল থেকে। ডেস্কটপে ব্যবহার করুন অথবা মোবাইল ব্রাউজারে ফেসবুক ব্যবহার করুন।

৪. প্রোফাইলে ছবির গোপনীয়তা বাড়াতে পারবেন। প্রথমে প্রোফাইলে গিয়ে ছবির ওপরে ডান পাশের মেনু বাটন ক্লিক করুন। ভিউ অ্যাজ… থেকে ঠিক করে নিন কারা এই ছবি দেখতে পারবে। ওনলি মি করে নেওয়ার পরও সার্চ করলে আপনার ছবি ঠিকই বেরিয়ে আসবে। এর কারণ হলো, আপনার যে বন্ধুটি এই ছবিটি ট্যাগ করেছে তাঁর সেটিংস-এ ছবিটি পাবলিক বা ফ্রেন্ডস অব ফ্রেন্ডস -এ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আপনার অ্যাকটিভিটি লগ-এ যান।

ডান পাশের কোণার ত্রিকোণ বোতামটি ক্লিক করুন। বামের কলাম থেকে ফটোস-এ ক্লিক করুন। সেখান থেকে ফটোস অব ইউ ক্লিক করুন। ওপরের ব্যানার থেকে শেয়ারড উইথ এর পর পাবলিক, ফ্রেন্ডস অব ফ্রেন্ডস পছন্দ করুন। ছবিটি কোন গ্রুপে দেখাচ্ছে তা দেখে নিন। এবার যে ছবিটি দিয়েছে তাকে এটি মুছে ফেলার অনুরোধ করুন। অথবা ওই বন্ধু ছবিটিকে শুধু ফ্রেন্ডস বা ওনলি মি অপশনে দেওয়ার অনুরোধ করুন।

৫. যারা আপনার ফেসবুকের বন্ধু নন, তারা মেসেজ পাঠালে ইনবক্সের ওপরে তা দেখাবে না। এগুলো অন্য এক ফোল্ডারে আসে। মেসেজ-এ যান এবং আদার (৯৯+) এর মধ্যে যান। সেখানেই পাবেন অন্য মানুষদের পাঠানো মেসেজ।

পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেও আপনার ফেসবুক হ্যাক হবেনা!

ফেসবুক এখন অনেক স্পর্শকাতর বিষয় অনেকের জন্য। নানান ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমৃদ্ধ আপনার ফেসবুক একাউন্টটি যদি হ্যাক হয়ে যায় আপনার এর থেকে বড় বিপদ আর কি হতে পারে বলুন? হ্যাআজ আমরা জানবো কিভাবে আপনি আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেওআইডি রক্ষা করতে পারবেন।

► আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? না এটি বাস্তব, তবে এর জন্য প্রথমে আপনাকে যা করতে হবে, ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশে Homeএর পাশে অ্যারোতে ক্লিক করে Account Settings-এ ক্লিক করুন বা সরাসরি

► এবার এখানে বাঁ পাশ থেকেতে ক্লিক করুন। এখন -এর ডান পাশ থেকেএ ক্লিক করুন।তারপরএই ঘরে টিকচিহ্ন দিন। টিকচিহ্ন দেওয়ার সময় নতুন একটি বার্তা এলেএ ক্লিক করুন।

► এখনবক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue তে ক্লিক করুন।

► আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Submit Code বাটনে ক্লিক করে Close-এ ক্লিক করুন। ► Login Notifications-এর ডান পাশ থেকে edit-এ ক্লিক করে Email এবং Text message বক্সেও টিকচিহ্ন দিয়ে Save-এ ক্লিক করে রাখতে পারেন। এতে ইমেইলে আপনার কোড সেন্ড হবে।

► এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে পুনরায় আবার ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন Name New Device নামে একটি পেজ এসেছে। সেখানে Device name বক্সে কোনো নাম লিখে Save Device-এ ক্লিক করুন।

ব্যাস হয়ে গেলো! এখন থেকে থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue তে ক্লিক করলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না।

ফেসবুকে Add Friend বাদ দিয়ে Follow বাটন যোগ করুন!

অনেক মেয়েদের আইডিতে অহরহ ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট আসে । আর অনেক মেয়েরা চায় না যে তাদের আইডিতে কোন রিকুয়েষ্ট আসুক । এক্ষেত্রে আপনি আপনার +Add as Friend বাটনটি হাইড/ ডিসেবল করে রাখতে পারেন এজন্য প্রথমে আপনাকে ফেইসবুকের Privacy Settings এ যেতে হবে।

এবার How you Connect থেকে Edit Settings এ ক্লিক করুন। তারপর Who Can Send You Friend Requests? থেকে Friends of Friends করে দিন। সবশেষে Done করুন।

বি.দ্রঃ এক্ষেত্রে যারা আপনার বন্ধুর ফ্রেন্ডলিষ্টে আছেন তাদের ফ্রেন্ডগন শুধু রিকুয়েষ্ট পাঠাতে পারবে।

ফেসবুকে অদৃশ্য হবার কৌশল!

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকের রাডার থেকে মুক্তি পাওয়া মুশকিল। তবে আপনি যদি ফেসবুকে লুকিয়ে থাকতে চান তাহলে সাহায্য করা যেতে পারে।

এই পদ্ধতি শেষ হওয়ার পর ব্যবহারকারী নিজে ফেসবুক অ্যাক্টিভিটি, ফটো এবং চেক ইন দেখতে পারবে। কিন্তু অন্যরা দেখতে পাবেনা তবে শুধুমাত্র বেসিক প্রোফাইল দেখতে পাবে। নিচে পদ্ধতিটি দেয়া হল-

প্রোফাইলের উপরের ডান দিকের বাটনে ক্লিক করে See More Settings এ ক্লিক করতে হবে।

Privacy Settings and Tools এই অপশনে গিয়ে Who Can See My Future Posts এ Only Me সিলেক্ট করে দিতে হবে।

এখানে Limit Past Posts পরিবর্তন করলে শুধু বন্ধুরাই পুরনো পোস্ট দেখতে পাবে।

ব্যাক্তিগতভাবে করা টেক্সট সীমাবদ্ধ করতে চাইলে Whose messages do I want filtered into my inbox থেকে Strict filtering সিলেক্ট করতে হবে।

আপনার নাম গুগল করে পাবলিক ফেসবুক টাইমলাইন প্রিভিউ চেক বন্ধ করতে Do you want other search engines to link to your Timeline এ গিয়ে আনচেক করে দিতে হবে।

বিজ্ঞাপন এড়াতে চাইলে বাম পাশের Adverts সেকশন থেকে Third-party sites এ No one করে দিতে হবে। এবার Save changes সিলেক্ট করতে হবে।

ফেসবুকের বিরক্তিকর পোস্ট গুলা থেকে মুক্তি নিন!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের ভালো দিক আছে, আছে অন্ধকার দিক। এখানে ভালো ভালো পোস্ট যেমন থাকে, তেমনি থাকে বিরক্তিকর অনেক পোস্ট। কিছু কিছু পোস্টের জন্য তো আবার বাসা বা অফিসে বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। এর মধ্যে আছে বিভিন্ন ভুয়া গ্রুপের পোস্ট, অশালীন ছবি এবং বিজ্ঞাপন।

এসব কুরুচিকর প্রচারণা থেকে দূরে থাকতে চান অধিকাংশ ফেইসবুক ব্যবহারকারী। কিন্তু উপায় না জানার কারণে প্রায়শই তাও পারেন না।
কিছু কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই এই অযাচিত সমস্যা দূর করা যায়। এই টিউটোরিয়ালে সে সবই তুলে ধরা হলো-
অপ্রয়োজনীয় পেইজকে আনফলো করাঃ
ফেইসবুকে এমন অনেক পেইজ থাকে যার পোস্ট যে কোনো ব্যবহারকারীর জন্য বিব্রতকর। অনেকে না জেনে এসব অপ্রয়োজনীয় পেইজে লাইক দিয়ে থাকেন, এতে এক সময় তা বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে এই অনাহুত ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে পেইজটিকে আনফলো করে দিন। এ জন্য পোস্টের ডান কোনায় থাকা অ্যারো চিহ্নে ক্লিক করুন। এরপর Hide all from সিলেক্ট করে দিন।

আন-ফ্রেন্ড করাঃ
ফেইসবুক বন্ধু তালিকায় থাকা কেউ কোনো বাজে বা বিরক্তিকর পেইজের পোস্টে লাইক দিলে তা আপনার ওয়ালে চলে আসতে পারে। এক্ষেত্রে বন্ধুকে আনফ্রেন্ড করে দিলেই এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। তবে, আন-ফ্রেন্ড না করতে চাইলে আগের মতো ঐ পোস্টের ডান দিকের কোনায় থাকা অ্যারো চিহ্নে ক্লিক করুন এবং পেইজটিকে আন-ফলো করে দিন।

ফেইসবুক জরিপে অংশগ্রহণঃ
ব্যবহারকারী কি ধরনের পোস্ট পছন্দ করেন তা জানার জন্য ফেইসবুক প্রায়ই জরিপ চালায়। এতে অংশগ্রহণ করেও অপ্রয়োজনীয় পোস্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। জরিপে অংশ নিতে চাইলে পোস্টের ডান দিকের অ্যারোতে ক্লিক করুন। এরপর নিচের দিকে থাকা more options নির্ধারিত প্রশ্নের উত্তর দিন।

অপছন্দের পোস্ট সম্পর্কে জানানোঃ
বিরক্তিকর পোস্ট থেকে বাঁচতে চাইলে এর ডান পাশে থাকা I dont want to see this অপশনে ক্লিক করতে পারেন। এতে কোন ধরনের পোস্ট আপনার অপছন্দ ফেইসবুক তা বুঝে নেবে। ফলশ্রুতিতে ঐ ধরনের পোস্ট আর ওয়ালে দেখাবে না।

ফেসবুকে আপনার বন্ধুদের লুকানো বন্ধু তালিকা দেখবেন যেভাবে!

কোন বন্ধুর ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে তার বন্ধুদের খোঁজ পেতে গিয়ে অনেকেই দেখেন শুধু দেখা যাচ্ছে `মিউচুয়াল ফ্রেন্ডস`-দের তালিকা। তারমানে আপনার বন্ধুটি তার পুরো বন্ধুর তালিকা আপনার কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছেন। তবে কোনও পরোয়া নেই। এখন চাইলেই আপনি আপনার `ফেসবুক ফ্রেন্ড`-এর বন্ধুদের সম্পূর্ণ তালিকা দেখতে পাবেন। যারা আপনার বন্ধুর তালিকায় নেই তাদের সঙ্গে কারা বন্ধুত্ব পেতেছেন ফেসবুকে সেটাও চলে আসতে পারে আপনার নখদর্পনে।

কিভাবে করবেন:
সম্প্রতি *ফেসবুক ফ্রেন্ডস ম্যাপার* (Facebook Friends Mapper) নামে একটি বিনামূল্যের ক্রোম এক্সটেনশন নিয়ে এসেছে গুগল। যেটি আপনাকে জানিয়ে দেবে বন্ধুদের গোপন করা বন্ধুদের তালিকা। কীভাবে সম্ভব হবে এসব আসুন জেনে নিই, প্রথমে চলে যান গুগল ক্রোমের ওয়েব স্টোরে। ইনস্টল করুন Facebook Friends Mapper extension।

যে বন্ধুর গোপন ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টটি আপনি দেখতে চান, তাঁর প্রোফাইলটি খুলুন। এখন আপনি ফ্রেন্ডস ট্যাবে দেখতে পাবেন `Reveal Friends` অপশনটি। এবার ক্লিক করুন তাতে। ব্যাস `কেল্লা ফতে`। বন্ধুর গোপন করা ফ্রেন্ড লিস্ট আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসবে।

আপনি যার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে চাইছেন তিনি আপনার বন্ধুর তালিকায় না থাকলেও কিছু যাবে আসবে না।

তার কোনও একজন বন্ধু আপনার বন্ধু হলেই হবে। সম্প্রতি এসেছে এই অপশনটি। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই আপনি আপনার কাজটি সেরে ফেলুন।