ফেসবুকে যে তথ্যগুলো কখনই শেয়ার করবেন না।

gg
fg

  ফেসবুকে আট তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ!!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক তথ্য দিয়ে নিজের অজান্তেই নিজেকে অনিরাপদ করে তুলছেন অনেকেই। কিছু বিষয় ফেসবুকে শেয়ার না করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। এতে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

বুধবার (১৩ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এতে ফেসবুকে আটটি বিষয় শেয়ার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপির পরামর্শগুলো তুলে ধরা হলো:

১. জন্ম তারিখ : অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্ম তারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

২. শিশু কোথায় পড়াশুনা করে : গত কয়েক বছরের যৌন ও শিশু বিষয়ক অপরাধগুলো গবেষণা করে ইংল্যান্ডের শিশু বিষয়ক সংস্থা এনএসপিসিসি জানায়, অধিকাংশ অভিভাবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে অসচেতন ছিলেন। এজন্য অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো ঘটেছে।

অথচ অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়ে অবেগাপ্লুত হয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। সেইসঙ্গে স্ট্যাটাসে জানিয়ে দেন, তার শিশু কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছে। এটি শিশুর জন্য নিরাপদ নয়। এতে শিশু অপহরণের আশঙ্কা রয়েছে।

৩. শিশুর ছবি : অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বলেন, শিশুদের নিয়ে যেকোনো তথ্য পাবলিকের কাছে শেয়ার করার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। যদিও অনেকেই শিশুদের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ে। দেখা গেল, শত্রুরা আপানার শিশুকে চিনে রাখল। এরপর সুযোগ বুঝে শিশুটিকে অপহরণ করল।

৪. বর্তমান অবস্থান : যেখানে সেখানে সেলফি তুলে লোকেশন ট্যাগ করে দেওয়াটা অনিরাপদ। এর মাধ্যমে যে কেউ আপনার সর্বশেষ অবস্থান জানতে পারে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ে। দেখা গেল, আপনার অবস্থান জেনেই শত্রুপক্ষ আপনার ওপর হামলা করল।

৫. কখন এবং কোথায় যাচ্ছি : দেখা যায়, আমরা কখন, কোথায় যাচ্ছি কিংবা ভ্রমণে বের হচ্ছি, সে বিষয় ফেসবুকে জানিয়ে দিই। এটা মোটেও নিরাপদ নয়। এই বিষয়গুলো জেনে আপনার প্রতিপক্ষ ক্ষতি করতে পারে। হয়ত শত্রুপক্ষ আপনার এমন তথ্য পাওয়ার অপেক্ষায় ছিল। সেটি জেনে আপনার ওপর হামলা করতে পারে। ফেসবুকে এসব বিষয় জানিয়ে দেওয়া নিজের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

৬. নির্দিষ্ট স্থান ট্যাগ করা : অনেক সময় ফেসবুকে নিজের অবস্থানের নির্দিষ্ট স্থান ট্যাগ করে দেন অনেকেই। ওই সময় আপনার প্রোফাইল যে ভিজিট করবে, সে জানতে পারবে এখন আপনি কোথায় আছেন। সেটি বাসায় কিংবা অফিসে হোক। দেখা গেল, এভাবে কেউ আপনার বাসা ও অফিসের ঠিকানা সংগ্রহ করে রাখল। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে আপনার ক্ষতি করল। আর এ জন্য ফেসবুকে লোকেশন ট্যাগ করা মোটেও নিরাপদ নয়।

৭. ফোন বা মোবাইল নম্বর : অনেকেই মোবাইল কিংবা ফোন নাম্বার ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। যা সম্পূর্ণভাবে অনিরাপদ। দেখা গেল, শত্রুপক্ষ আপনার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে এবং সুযোগ বুঝে কাজ করে। পাশাপাশি যে কেউ আপনার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে, সময়ে-অসময়ে কল দিয়ে বিরক্ত করার সুযোগ পায়। মোবাইল বা ফোন নম্বর ব্যক্তিগত গোপনীয় জিনিস। পরিচিত ব্যক্তিদের ছাড়া কাউকে ফোন কিংবা মোবাইল নম্বর দেওয়া নিরাপদ নয়।

৮. ক্রেডিট কার্ডের তথ্য : ক্রেডিট কার্ড হচ্ছে গোপন ও স্পর্শকাতর বিষয়। ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কোনোভাবেই নিরাপদ নয়। তবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কিংবা ওয়েবসাইট বুঝেই দিতে হবে। যাতে আপনার দেওয়া তথ্য তাদের কাছে সুরক্ষিত থাকে।

কীভাবে ফেসবুকে লাইভ হবেন?

ফেসবুকের কল্যাণে এবার টেলিভিশনের দিন ফুরিয়ে আসছে কিনা সেটা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সৌজন্যে ফেসবুকের অসাধারণ একটি ফিচার গো লাইভ।

তারকারা এখন ইচ্ছে করলেই একটি এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে পারছেন। কিন্তু আপনি যদি মহাতারকা না ও হন তবু আপনার বন্ধুদের সঙ্গে লাইভ ভিডিওতে যোগাযোগ রাখতে পারবেন। কিন্তু কীভাবে?

এজন্য আপনাকে একটি ফেসবুক পেইজের সাহায্য নিতে হবে। মানে আপনাকে কোন পেইজের এডমিনিস্ট্রেশন ক্ষমতা থাকতে হবে। এরপর সেই পেইজে প্রবেশ করুন।

পোস্ট অপশনটিতে যান। দেখবেন ক্যামেরা, স্মাইলি, লোকেশন বাটনগুলোর পাশে আরেকটি বাটন আছে। এটাই লাইভ বাটন। এই বাটনে ক্লিক করলে নতুন একটি ইন্টারফেস আসবে।

ক্যামেরা অন হয়ে যাবে। কানেকশন সম্পন্ন হলে আপনার লাইভ ভিডিওর জন্য কোন ক্যপশন দিন। প্রয়োজন মনে করলে প্রাইভেসী ট্যাবে ক্লিক করে ভিউয়ার্স ঠিক করুন।

এরপর গো লাইভ বাটনে ক্লিক করে লাইভ হয়ে যান।

ফেইসবুকে ঝামেলা এড়ানোর উপায়

ট্যাগ নিয়ন্ত্রণ ছবি পোস্ট করার সময় কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করার দরকার হলে ট্যাগ করেন অনেকে। অনেক সময় দেখা যায়, ছবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না হলেও অন্যদের ট্যাগ করা হচ্ছে। এটি অন্যের জন্য বিরক্তিকর। তা ছাড়া ট্যাগ করা ছবি বিতর্কিত বা অনাকাঙ্ক্ষিতও হতে পারে।

এ ঝামেলা এড়াতে চাইলে ট্যাগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এর জন্য ফেইসবুকের সেটিংস অপশন থেকে টাইমলাইন অ্যান্ড ট্যাগিংয়ে যান। অথবা www.facebook.com/settings?tab=timeline ক্লিক করুন। এরপর How can ও manage tags people add and tagging suggestions? লেখা তৃতীয় অংশটুকু দেখুন।

Review tags people add to your own posts before the tags appear on Facebook? অপশনে গিয়ে Enable করে দিন। এরপর যদি কেউ আপনাকে কোনো ছবিতে ট্যাগ করেন, তবে ফেইসবুক আপনাকে নোটিফিকেশন পাঠাবে। আপনি সেই নোটিফিকেশনে ক্লিক করে Approved না করা পর্যন্ত সেই ছবি আপনার প্রোফাইল বা টাইমলাইনে দেখাবে না।

কোথাও লগডইন আছে কি না
অফিসে, সাইবার ক্যাফেতে বা কোনো পিসিতে ফেইসবুক লগডইন অবস্থায় রেখে চলে এসেছেন, এমনটি হতেই পারে। সে ক্ষেত্রে যেকোনো জায়গা থেকেই তা লগআউট করতে পারবেন। এর জন্য ফেইসবুকের সেটিংসে গিয়ে সিকিউরিটি ক্লিক করুন। এরপর Where Youre Logged In ক্লিক করুন। সেখানে লগডইন অবস্থায় কখন, কোন শহরে, কোন ডিভাইস ও ব্রাউজারে ফেইসবুক লগডইন অবস্থায় আছে তা দেখাবে। End Activity ক্লিক করলে তা লগআউট হয়ে যাবে।

দুই ধাপ নিরাপত্তা
কেউ ফেইসবুকের পাসওয়ার্ড জানলেও লগইন করতে পারবে না। যদি লগইন এপ্রোভাল বা দুই ধাপ নিরাপত্তা থাকে। এ পদ্ধতিতে ফেইসবুকের আইডি-পাসওয়ার্ড সঠিকভাবে প্রবেশ করানোর পর ব্যবহারকারীর মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে একটি কোড যায়। এই কোডটি ঠিকভাবে দিলেই ফেইসবুকে প্রবেশ করা যাবে। এর জন্য ফেইসবুকের সেটিংস থেকে সিকিউরিটিতে গিয়ে লগইন এপ্রোভাল ক্লিক করে মোবাইল নম্বর প্রবেশ করাতে হবে। Require a security code to access my account from unknown browsers অংশটিও টিক দিতে হবে।

ফেইসবুকে রিপোর্ট
ফেইক আইডি কিংবা আপত্তিকর কিছু চোখে পড়লে ফেইসবুকে রিপোর্ট করতে পারেন। তবে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে কয়েকটি পদ্ধতিতে। এর মধ্যে একটি হলো—কতজন একই অভিযোগে প্রোফাইল বা কনটেন্টের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করছে। কেউ যাতে ইচ্ছা করেই আসল কোনো আইডিকে ফেইক বলে অভিযোগ করতে না পারে কিংবা স্বাভাবিক কোনো কিছুকে বিতর্কিত বলতে না পারে, তা-ও খেয়াল রাখে ফেইসবুক। এ ক্ষেত্রে নিজস্ব পলিসি অনুসরণ করে তারা। ফেইক আইডি রিপোর্ট করতে হলে সেই আইডির প্রোফাইলে গিয়ে মেসেজ বাটনের ডান দিকের মেন্যুতে গিয়ে রিপোর্ট ক্লিক করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অংশ সিলেক্ট করুন।

মেসেজ বন্ধ
অপরিচিত কারো কাছ থেকে মেসেজ না পেতে চাইলে সেটিংস অপশনে গিয়ে প্রাইভেসিতে ক্লিক করুন। এরপর Who can contact me? অংশের Everyone বদলে Friends of friends করে দিন। তাহলে কেবল আপনার বন্ধু ও তাদের বন্ধুরা ছাড়া আর কেউ আপনাকে মেসেজ পাঠাতে পারবে না।

গ্রুপ থেকে মুক্তি
ফেইসবুকে বন্ধু তালিকার যে কেউ চাইলে তাকে কোনো গ্রুপে অ্যাড করে নিতে পারে। এটা অনেকের কাছে বিরক্তিকর। বিশেষ করে, গ্রুপে অ্যাড হওয়ার পর অহরহ নোটিফিকেশন আসে। শুধু নোটিফিকেশন বন্ধ করতে চাইলে টাইমলাইনের বাঁ পাশ থেকে গ্রুপটিতে ক্লিক করুন। এরপর নোটিফিকেশন অপশন থেকে অফ ক্লিক করুন। আর যদি ওই গ্রুপটিই ত্যাগ করতে চান, তাহলে জয়েনড-এ মাউস রেখে লিভ ক্লিক করুন। এরপর Prevent other members from adding you back to this group অংশটি টিক দিয়ে লিভ গ্রুপ ক্লিক করলে আর ওই গ্রুপে কেউ আপনাকে অ্যাড করতে পারবে না।

সাইবার বুলিং
অনলাইনে কাউকে উত্ত্যক্ত বা সম্মানহানি করাকে সাইবার বুলিং বলা হয়। এ অবস্থা চলতে থাকলে কিংবা তা থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় না থাকলে থানায় জিডি করুন। এর পাশাপাশি ২৮৭২ নম্বরে (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে) কল করে বিটিআরসিতেও অভিযোগ করা যাবে।

ফেইসবুকে লাইভ ভিডিও নোটিফিকেশন বন্ধ করবেন যেভাবে!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে নিয়মিত নতুন সব ফিচার যুক্ত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং ফিচার আনা হয়েছে। বন্ধু তালিকার কেউ কিংবা কোনো পেইজ লাইক দেওয়া থাকলে সেখানে ভিডিও স্ট্রিমিং চালু হলে ব্যবহারকারীদের নোটিফিকেশন আকারে তা জানানো হয়।

ঘন ঘন এ নোটিফিকেশনের বিষয়টি অনেকের কাছে বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে চাইলে এটি বন্ধ করা যায়।

কিভাবে লাইভ ভিডিওয়ের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে হবে তা তুলে ধরা হলো এ টিউটোরিয়ালে।

এ জন্য ডেস্কটপ থেকে ফেইসবুকে লগইন করতে হবে। কেননা স্মার্টফোন সংস্করণে এ নোটিফিকেশন বন্ধের সুবিধাটি পাওয়া যাবে না।

লগইনের পর ফেইসবুকের ডান পাশের মেন্যুতে ক্লিক করে সেটিংসে যেতে হবে।

তারপর নতুন একটি পেইজ চালু হবে। সেখানে থেকে বাম পাশে থাকা নোটিফিকেশন অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

এরপর ডান পাশ থেকে On Facebook-এর edit অপশনে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে ফেইসবুকে নানা নোটিফিকেশনের একটি তালিকা দেখাবে। এ তালিকার নিচের দিকে live videos অপশনটির পাশে ON লেখা থাকবে ডিফল্টভাবে।

ফলে যে কোনো লাইভ ভিডিও নোটিফিকেশন আকারে দেখায়। এটি বন্ধ করতে ON লেখার উপর মাউস ক্লিক করলে All Off অপশন দেখাবে। এরপর তা সিলেক্ট করে দিতে হবে।

তাহলেই রক্ষা পাওয়া যাবে লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের নোটিফিকেশনের ঝামেলা থাকে।

ফেইসবুক মেসেঞ্জারে ফুটবল গেইম

মেসেঞ্জার ফিচারে লুকানো ফুটবল গেইম এনেছে সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুক।

বিশ্বব্যাপী আইওএস আর অ্যান্ড্রয়েডের মোবাইল মেসেঞ্জার অ্যাপের জন্য গেইমটি ইউরো ২০১৬ আর কোপা আমেরিকা ফুটবল প্রতিযোগিতার প্রতীক রূপে ছাড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্ট।

এর আগে এ রকমই একটি বাস্কেটবল গেইম এনেছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই সামাজিক মাধ্যমের সাইট। ওই গেইম তিন মাসের মধ্যে একশ কোটিবারেরও বেশি খেলা হয়।

ফেইসবুকের মেসেঞ্জার বিভাগের প্রধান ডেভিড মার্কাস লিখেন, *মার্চ ম্যাডনেস আর এনবিএ সেশনের জন্য চালু করা আমাদের ছোট (বাস্কেটবল ইমোজি) মেসেঞ্জার তিন মাসের মধ্যে একশ কোটিবারেরও বেশি খেলা হয়েছে। যেহেতু সবাই এটি এতটা পছন্দ করেছে আর এখন ইউরো ২০১৬ আর কোপা আমেরিকা চলছে… সবাই বুঝতেই পারছেন আমি কী বোঝাতে চাচ্ছি… [ফুটবল ইমো!] এটা শুরু।*

কীভাবে খেলতে হবে—

১। মেসেঞ্জারের সর্বশেষ সংস্করণে আপডেটেড থাকতে হবে স্মার্টফোনটি

২। ফুটবলের ইমোজি সিলেক্ট করে কোনো বন্ধুকে পাঠাতে হবে

৩। চ্যাটে আসা আইকনে চাপ দিতে হবে

৪। ব্যস, গেইমটি চালু হয়ে যাবে।

ফেসবুকের পোস্ট ইমেজ/পিকচার আকারে সেভ করার পদ্ধতি!

আমরা অনেকেই ফেসবুক ব্যবহার করি , আমরা সবাই জানি ফেসবুকে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন লেখা পোস্ট শেয়ার করা হয় । এমন আনেক সময় হয় যে কোন একটি পোস্ট আমাদের পছন্দ হয়েছে কিন্তু কিভাবে সেটা সেভ / সংরক্ষন করব সো আমরা খুজে পাই না।

তাই আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে ফেবুকের পছন্দের পোস্ট গুলো ইমেজ/পিকচার আকারে সংরক্ষন করা যায়।

এই কাজটি করার জন্য আমরা গুগল ক্রোম এর একটি এক্সটেনশান ব্যবহার করব। এক্সটেনশান টার নাম হচ্ছে Open screenshot . এটি ব্রাউজার এ এড করে নিতে হবে। তারপর ব্রাউজার এর কর্নারে একটি আইকন দেখা যাবে। এক্সটেনশান এর কাজ শেষ।

এবার যে পোস্ট টি পছন্দ হয় সেটা ডিসপ্লেতে এনে ওই আইকনে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর আনেক গুলো আপশন পাওয়া যাবে।আপশন থেকে সিলেক্ট আপশন এ ক্লিক করে পোস্ট টি সিলেক্ট করতে হবে। এর পর সেভ আইকনে কিøক করলে সেভ লোকেশান চাইবে।

লোকেশান সিলেক্ট করে সেভ দিলেই পিকচার / ইমেজ আকারে সেভ হবে।

আপনার ফেসবুক আইডি সুরক্ষিত রাখার ৫ উপায়

ফেসবুক পুরো বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের সহজ মাধ্যম। ফেসবুক যেমন যোগাযোগের একটা বড় মাধ্যম, তেমনই আপনার ফেসবুক যদি অন্য কারো হাতে চলে যায়, তা হলে তা বিপজ্জনক হতে পারে। ফেসবুক সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে?

জেনে নিন ফেসবুক সুরক্ষিত রাখার ৫ উপায়।

১. নিজের ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতেই হবে। সে ক্ষেত্রে আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড যেন কেউ জানতে না-পারেন।

২. একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুকে দেওয়া একেবারেই উচিত নয়। নিজের বাড়ির ঠিকানা, মোবাইল বা বাড়ির ল্যান্ডলাইন নম্বর, নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে না দেওয়াই উচিত।

৩. এরকমটা ভাবা উচিত নয় যে, নিজের ফেসবুক প্রোফাইল কেবলমাত্র আপনি একাই দেখতে পান। আপনি কী পোস্ট করছেন, তা দেখে ফেলছে সবাই। আপনার পোস্ট এমন কয়েকজন মানুষ দেখে ফেলছেন, যাঁদের হয়তো চেনা সম্ভবও নয়। তাই খুব ব্যক্তিগত জিনিস ফেসবুকে দেওয়াই উচিত নয়।

৪. কোনও অচেনা প্রোফাইল থেকে পাওয়া ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করা একেবারেই উচিত নয়। যাচাই করে তবেই ফ্রেন্ডশিপ অ্যাকসেপ্ট করুন।

৫. বাড়িতে বা অফিসে নিজের কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে ফেসবুক প্রোফাইল খুলে রেখে কোথাও যাওয়াটা একেবারেই উচিত নয়। আগে লগ আউট করে তবেই নিজের সিস্টেম ছেড়ে ওঠা উচিত। অন্য কেউ তো আপনার হয়েও কিছু পোস্ট করে দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনিই বিপদে পড়তে পারেন।

ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ন কিছু সেটিংস

এখানে এমনই ৫টি সেটিংসের কথা বলা হলো যা আপনার আজই বদলে ফেলা উচিত।

১. অটোপ্লেয়িং ভিডিও : ফেসবুকের নিউজ ফিড আপনাকে বেশ আরাম দেয়। কিন্তু এখানে একটি ভিডিওতে ক্লিক না করলেও ফেসবুক তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু করার ব্যবস্থা করে রেখেছে। উদ্দেশ্য আপনার মনোযোগ আকর্ষণ। তবে ভিডিও থেকে কিছুটা দূরে তীর চিহ্নে ক্লিক করে তা বন্ধ করতে পারেন। সেখানে ক্লিক করে সেটিং অপশনে যান। সেখানকার বিভিন্ন অপশন থেকে ভিডিওস লিঙ্কটি দেখতে পাবেন বামপাশের কলামে। এর ড্রাপ ডাউন মেন্যুতে গিয়ে অটো-প্লে ভিডিওস অফ করে দিন।

২. ক্লিয়ার সার্চ : ফেসবুকে হাজারবার সার্চ দিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসটি খুঁজে নেওয়া হয়। আপনার সব সার্চ ফেসবুক সংরক্ষণ করে। এগুলো মুছতে বামের মেন্যু থেকে প্রাইভেসি ট্যাবে যান। সেখানে হু ক্যান সি মাই স্টাফ?-এ গিয়ে ইউজ অ্যাকটিভিটি লগ-এ যান। এখানেই ফেসবুক সব সেভ করে রাখে। সেখানে সার্চ অপশনের পরিবর্তে মোর অপশন দেওয়া রয়েছে। সেখানে ফটোস অপশনে ক্লিক করুন এবং যাবতীয় অপশন পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে সার্চ অপশনে গেলেই আপনার যাবতীয় সার্চ খুঁজে পাবেন। ক্লিয়ার সার্চেস ক্লিক করে সব মুছে ফেলুন।

৩. প্রাইভেসি সেটিং : আপনার পোস্ট বিশ্বের এক বিলিয়ন ব্যবহারকারী দেখুক তা নিশ্চয়ই চান না? ওপরের ডানে প্রোফাইল থেকে সেটিং-এ যান। সেখানে প্রাইভেসিতে ক্লিক করে এডিট অবশনে যেতে হবে। ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে নিজের পছন্দ মতো গোপনীয়তা বেছে নিতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনি পোস্টগুলো বন্ধুদের দেখাতে চাইবেন।

৪. আনওয়ান্টেড নোটিফিকেশন : যদি আগের চেয়ে অনেক বেশি নোটিফিকেশন আসতে থাকে, তবে এ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আবার ওপরের ডান থেকে সেটিংস-এ যান। সেখানে নোটিফিকেশনস ট্যাব থেকে অপছন্দের বিষয়গুলো বাদ দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ট্যাগস এবং বিভিন্ন গ্রুপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিতে পারেন। এখানে বন্ধুদের জন্মদিনের নোটিফিকেশনের অপশনও পাবেন।

৫. সোশাল অ্যাডভারটাইজিং : এই বিষয়টির ওপর ফেসবুকে অর্থের বিশাল একটি উৎস নির্ভর করে। আপনার বন্ধুরা বা অন্যরা কী কিনছেন বা কী করছেন ইত্যাদি দেখতে পাবেন এখান থেকে। আবারো আগের মতোই ওপরের ডানপাশ থেকে সেটিংস-এ যান। অ্যাডস ট্যাবে ক্লিক করুন। দুটো অপশন আসবে। সেখানে এডিট বাটনে ক্লিক করুন এবং ফ্রেন্ডস এর পরিবর্তে নো ওয়ান অপশনটি বেছে নিন। এর মাধ্যমে আপনার তথ্য ফেসবুক অন্যের কাছে প্রকাশ না করলেও অন্যরা তাদের বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আপনাকে ঠিকই খুঁজে পাবে। তাই মনের মতো সেটিং এখুনি ঠিক করে নিন।