এসইও টিউটোরিয়াল-Social Media Marketing

Social Media Marketing এর কথা শুনলেই আপনার মনে হতে পারে, কি না জানি কি? আরও কত কিছু হয়ত এটা করার জন্য শিখতে বা জানতে হবে। আসলে না এটাতে ভয়ের কোন কিছু নেই, আপনি কি আগে কখনো কোনো পণ্য বা সেবা নেয়ার সময়, অনলাইনে কারোর রিভিউ দেখে বা অন্য কারোর পূর্বঅভিজ্ঞতা থেকে, ঐ পণ্য বা সেবা নেয়ার সময় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? হ্যা তাহলে আপনি SMM সম্পর্কে অনেক কিছুই জানেন।

এটা করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন ফোরামে বা ফেসবুক বা টুইটারে আপনাকে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে হবে। আপনি আপনার পূর্বঅভিজ্ঞতা এসব সাইটে শেয়ার করতে পারেন। ঐ পণ্য বা সেবা ব্যবহার করলে সে কি কি সুযোগ সুবিধা পাবে, কোন ধরনের সমস্যা হতে পারে, সমস্যা সমাধানের উপায়- এসব বিষয়ই আপনি তাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আপনি যদি honestly এসব করতে থাকেন, তাহলে কিছুদিনের মধ্যই অনলাইনে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে এবং সাথে সাথে পণ্য বা সেবার বিক্রয় এর পরিমাণ ও বাড়বে।

যে কোন নতুন বিষয় নিয়ে আমরা প্রথমে যে সমস্যায় পড়ি সেটা হল, আমরা কিভাবে বা কোথা থেকে শুরু করব এটা বুঝতে পারিনা। আসলে যে কোন কিছু সঠিকভাবে শুরু করা খুবই জরুরী, পরবর্তীতে তাহলে সমস্যা কম হয়। প্রথমেই আপনার মার্কেট রিসার্চ করুন। আপনি কি কোন web2.0 সাইটে যোগ দিতে পারেন, এজন্য আপনি বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন,

যেমন :

    • Blogs
    • Articles
    • Videos
    • Tweets
  • Forums

আপনার সার্ভিস রিলেটেড blog খুঁজে বের করার জন্য আপনি গুগল এর সহায়তা নিতে পারেন, এছাড়াও আপনি বিভিন্ন Blog search engines এর সহায়তা নিতে পারেন।

    • Google blog search
    • তারপর Twitter ও Facebook এর নিজস্ব Searches ব্যবহার করে আপনি আপনার Target Market এর মানুষজন খুঁজে পেতে পারেন।

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন

প্রোফাইল তৈরি করার সময় কিছু বিষয় বিবেচনা করা জরুরী

    • আপনি কি নিজের নাম ব্যবহার করবেন না আপনার Brand name? এখন যদি আপনি মনে করেন যে, আপনার নাম ব্যবহার করলে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে, তাহলে আপনি এটা করতে পারেন। কিন্তু যদি আপনি মনে করেন যে না আমি আমার company কে brand হিসেবে তৈরি করব, তাহলে আপনি আপনার company এর নামেও profile তৈরী করতে পারেন।
    • কিন্তু যদি আপনার কোম্পানি অনেক বড় হয়, তাহলে আপনি আপনার organization এর নাম same রেখে অনেকগুলো profile তৈরি করতে পারেন।
    • যখন শুরু করবেন তখন প্রধান প্রধান কয়েকটা একাউন্ট দিয়ে শুরু করুন যেমন: Facebook, Twitter, Youtube.
    • প্রধান কয়েকটা সাইটে একাউন্ট করা তৈরি হয়ে গেলে আপনি তারপর অন্য সাইটে একাউন্ট তৈরি করতে পারেন। অন্য সাইট খুজে বের করার জন্য আপনি knowem.com নামক সাইটে যেতে পারেন, এখানে আপনি অনেক সাইটের নাম পাবেন, যা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে দেয়া আছে।
    • আপনার profile কে customize করুন। যেমন, আপনি এসব সাইটে আপনার logo, brand colors এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

    • এছাড়াও কিছু কিছু ওয়েবসাইটের bioতে আপনি সরাসরি আপনার website এর লিংক যোগ করতে পারবেন।

অনেকেই দেখা যায় ব্যস্ততার জন্য এসব সোশ্যাল সাইটে সময় দিতে পারেনা, কিন্তু আপনি যদি আপনার সাইটের সাথে লিংক করে রাখেন, তাহলে অন্য কেউ যদি আপনার brand বা name দিয়ে সার্চ করে, তাহলে তারা এই রেজাল্টগুলো search এর সময় পেতে পারে।

এরপর আপনার কাজ হবে নতুন নতুন বন্ধু তৈরি করা। এটা অনেক কঠিন কাজ হয়ে দাড়াবে, যদি আপনি আপনার রিয়েল নাম বাদ দিয়ে অন্য কোন নামে একাউন্ট তৈরি করেন। কারণ মানুষ আপনাকে চেনে কিন্তু আপনার নতুন ব্যবসার নাম নাও জানতে পারে। এজন্য রিয়েল নেম দিয়ে একাউন্ট করলে আপনি কিছু সুবিধাতো পাবেন।

নতুন বন্ধু বানানোর জন্য আপনি যা করতে পারেন তা হল:

 

    • আপনি যে সমস্ত মানুষ চেনেন তাদের follow করুন
    • ধীরে ধীরে তাদের friend দের follow করুন
    • তারপর তারা কে কি আলোচনা করে, সেগুলো observe করুন এবং ধীরে ধীরে এদের ভিতর থেকে আগ্রহী লোকজন খুজে বের করে তাদের ফলো করা শুরু করুন।

তারপর ইচ্ছা করলে আপনি আপনার email address বা অন্যান্য social account এর id দিয়েও আপনার পরিচিত লোকজনদের খুজে বের করতে পারেন।

আরো ভালভাবে সবকিছু manage করার জন্য

    • যে কোন community এর সাথে একাত্ম হয়ে যান
    • বিভিন্ন ধরনের আলোচনায় যোগদান করুন
    • সবসময় অন্য মেম্বারদের প্রতি সহযোগীতাপূর্ণ ও বন্ধুত্বসুলভ আচরণ করুন।
    • নিজের ঢোল বেশি পেটাবেন না।
    • চোখ কান খোলা রাখুন।
    • কখনই হাল ছাড়বেন না।

অনলাইন কমিউনিটি যোগ দেয়ার আপনাকে অনেক বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। আপনি জানেন যে, অনেকেই আছে যারা এইসব কমিউনিটিতে যোগ দান করে শুধুমাত্র Backlink তৈরি করার জন্য। এইসব ফোরাম,ব্লগ বা ওয়েব২.০ সার্ভিসের মালিকরাও জানে এসব মানুষ শুধুমাত্র spamming করার জন্য সাইটে মেম্বারশীপ নিয়েছে। তাই এ সমস্ত কাজগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে।সবসময় মাথায় থাকতে হবে যে, আমি এই ফোরামকে আমার জানার ভিতর থেকে সাহায্য করব এবং বিনিময়ে আমিও কিছু সাহায্য পাবো। তাই আপনাকে এসব ওয়েব২.০ সার্ভিসে ভাল জায়গা করে নিতে হলে, আপনাকে অনেক বেশি সাহায্য সহযোগীতা করতে হবে। ধীরে ধীরে আপনার সর্ম্পকে যখন একটা ভাল ধারণা হয়ে যাবে, তখন আপনার promo এর কাজ করতে পারেন, তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন অন্য কেউ যেন বিরক্ত না হয়।

আপনি যা করতে পারেন:
কোন ওয়েবসাইটে একাউন্ট করার সময় এদের rules and regulations গুলো পড়ে নিতে পারেন। কারণ অনেক ওয়েবসাইটে এরকম নিয়ম থাকে যে আপনি প্রথম কয়েকটি পোস্ট এ কোন লিঙ্ক দিতে পারবেন না(আপনার প্রোডাক্ট বা সাইটএর প্রমোশন সর্ম্পকিত)। যদি দেন এগুলো spam হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এমনকি আপনার একাউন্ট পর্যন্ত BAN করা হতে পারে।

কিছু ওয়েবসাইটে এমন সিস্টেম থাকে যে আপনি পোস্টের ভিতরে লিঙ্ক দিতে পারবেন না কিন্তু আপনার Profile/signature এ লিঙ্ক দিতে পারবেন।

আপনার জানেন ব্যাকলিঙ্ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার গুগল এর কাছে। আর এ জন্যই সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটাররা ব্যাকলিঙ্ককে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই অধিকাংশ ওয়েবসাইট-ই তাদের back link এর অপশনে ‘no follow’ attribute যোগ করে রাখে, ফলে গুগল এটাকে তেমন কোন গুরুত্ব দেয় না বা কোন প্রকার Link popularity এটা দিয়ে pass করে না। তবে no follow link এর গুরুত্ব নিয়ে বিভিন্ন seo guru দের দ্বিমত আছে।

    • আপনার বর্তমান পোস্ট, কমেন্ট, আর্টিকেল এগুলো ভালভাবে রিভিউ করুন।
    • লক্ষ তারা কি আপনার সর্ম্পকে আলোচনা করছে।
    • তারা কি আপনার target market এর একটি অংশ।
    • আপনি যে community তে আছেন তাদের কালচার কেমন ভাল না খারাপ? যদি খারাপ হয় এটা কি আপনার promo এর জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। এগুলো ভালভাবে চিন্তা করুন। সম্ভব হলে বিতর্কিত বিষয় গুলো এড়িয়ে চলুন।
    • এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়াতে participate করার জন্য আপনি ঐ কমিউনিটির বিভিন্ন সদস্য এর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন। কিন্তু প্রশ্নের দেয়ার সময় খেয়াল রাখবেন, এমন ভাবে উত্তর দিবেন না যাতে অন্য কাউকে খাটো না করা হয়। কোনভাবেই ভুল উত্তর দিবেন। ভুল উত্তর দেয়ার চেয়ে উত্তর না দেয়া ভাল। আপনি যে সর্ম্পকে উত্তর দিতে চান, অবশ্যই সেটা সর্ম্পকে আপনাকে ভালভাবে জানতে হবে। এতে করে আস্তে আস্তে আপনার প্রতি সবার বিশ্বস্ততা বাড়বে।
    • যদি আপনি কোন বিষয়ে খুব অভিজ্ঞ না হন, তাহলে আপনি বর্তমানে ঐ ফোরামে running বিষয়গুলোর উপর একটু advance level এর প্রশ্ন করতে পারেন বা অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে কোন কিছু clarify করতে বলতে পারেন। সুযোগ থাকলে নিজেই কোন নতুন টপিক চালু করতে পারেন।
    • কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকুন, যেমন social mediaতে অংশগ্রহণ এর মাধ্যমে সময় নষ্ট করবেন না।
    • অনেকেই আছে যারা social media তে প্রচুর পরিমাণে সময় নষ্ট করে। এজন্য দিনের নির্দিষ্ট একটা সময় এর জন্য বরাদ্দ করে রাখতে পারেন অথবা এর জন্য নতুন কাউকে দায়িত্ব দিতে পারেন।

Measuring your success

সাধারণত seo করার পর সবাই তার অবস্থান জানতে চায় সার্চ ইঞ্জিনে। কারণ আপনার যদি Search Engine (SEO) তে ভাল অবস্থান থাকে তাহলে আপনি প্রচুর পরিমাণে Free Traffic পাবেন আর না থাকলে পাবেন না। কিন্তু সবসময় SEO তে Ranking দ্বারাই success টা measure করা উচিৎ নয়।

কেন শুধুমাত্র SEO ranking measure করা উচিৎ নয়

Ranking সবসময় পরিবর্তন হয়। যেমন ধরুন আপনি একটা কিওয়ার্ড দিয়ে একটা সার্চ করলে আপনার কম্পিউটারে যে সার্চ রেজাল্ট শো করবে, আপনার বন্ধুর কম্পিউটারে সেই একই রেজাল্ট নাও দেখাতে পারে। আবার মাঝে মাঝে browser পরিবর্তনের ফলেও আপনার সাইটের ranking up-down করতে পারে। তাই আপনার কম্পিউটারে যে রেজাল্ট দেখাচ্ছে সেটাই যে অন্য সব কম্পিউটারে দেখাচ্ছে এমন ভাববেন না।

SEO ranking ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতেও হয়।

যেমন আপনি আমেরিকা থাকলে এক ধরনের রেজাল্ট দেখবেন আবার বাংলাদেশে থাকলে আর একধরনের রেজাল্ট দেখবেন। আমেরিকায়তো আপনার state change হলেই সার্চ রেজাল্ট পরিবর্তন হয়ে যায়। একারনে দেশের ভিতরে ব্যবসা বা কোন সেবা দিতে চাইলে country extension নিতে পারেন যেমন: .BD। তাহলে local seo এর ক্ষেত্রে benefit পাবেন।

বিগত কয়েকবছর ধরে গুগল তার সার্চ রেজাল্ট personalized হিসেবে দেখায়। যেমন: আপনার যদি গুগলে একটি একাউন্ট থাকে এবং আপনি যদি সেই একাউন্টে লগ ইন করা অবস্থায় সার্চ করেন, তাহলে একধরনের রেজাল্ট দেখাবে। আর আপনার যদি গুগলে একাউন্ট না থাকে তাহলে আর একধরনের রেজাল্ট দেখাবে। কারণ গুগলে আপনার একাউন্ট থাকার অর্থই হল গুগল আপনার সর্ম্পকে অনেককিছু জানে এবং সেখান থেকেই সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আপনার টেস্ট অনুযায়ী একটি personal সার্চ রেজাল্ট দেখায়। আপনি যদি গুগল একাউন্ট এ লগ ইন করা অবস্থায় নাও থাকেন তাহলেও গুগল কুকি এর মাধ্যমে আপনাকে সনাক্ত করে সার্চ রেজাল্ট দেখায়। আপনারা লক্ষ করেছেন কিনা জানিনা, অনেক সময় সার্চ রেজাল্টের নিচে দেখিয়ে দেয়, আপনি শেষ কবে সাইটটি ভিজিট করেছেন।

আবার অনেক সময় দেখা যায়, আপনি অনেক গুলো কিওয়ার্ড টার্গেট করেছিলেন এবং দেখাগুলো তার মধ্যে কত গুলোতে ১ম পেজে এমনকি ১ম স্থানে অবস্থান করছেন। অনেক কোম্পানীই আছে যারা হয়ত যেসব কিওয়ার্ড এর জন্য কোন সার্চেস বা কম্পিটিশন নেই, সেসব কিওয়ার্ড এর জন্য আপনাকে ১ম পেজে ১ম স্থানে এনে দিবে এবং আপনিও হয়ত দেখে খুশি হবেন যে, হ্যা আমার সাইট ১নং পজিশনে চলে আসছে। আসলে এতে খুশি হওয়ার কিছু নেই কারণ ১জনের মধ্যে প্রতিযোগীতা হলে সেই ১ম হবে। লক্ষ রাখবেন যে কিওয়ার্ড এর জন্য আপনার সাইট ranking করছে তার searches কেমন?