ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে ৫টি ভুল কখনো করবেন না।

সাইবার দুর্নীতিবাজদের মধ্যে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। সামান্যতম সুযোগ পেলেই তারা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে ফেসবুক গ্রাহকদেরই। এবং এই সতর্কতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হল, এমন পাসওয়ার্ড নির্বাচন করা, যার নাগাল হ্যাকাররা চট করে পাবে না।

এবং সে ক্ষেত্রে শুধু স্পেশাল ক্যারেকটার ও ডিজিটের ব্যবহার, কিংবা বড় পাসওয়ার্ড নির্বাচন করলেই বিপদ এড়ানো যাবে, তা নয়।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে কয়েকটি সাধারণ ভুল কমবেশি সকলেই করে থাকেন। কী রকম? আসুন, জেনে নেওয়া যাক—

১. পর পর সংখ্যা ব্যবহার করা: ১,২,৩,৪,৫ কিংবা ০,৯,৮,৭,৬ এই ধরনের কোনও সংখ্যাক্রম কোনও পাসওয়ার্ডের কোনও অংশে রাখবেন না।

২. নিজের নাম বা পদবীর ব্যবহার: আর যাই করুন না কেন, নিজের নাম বা পদবী কোনও রকম ভাবেই পাসওয়ার্ডে ব্যবহার করবেন না। নতুবা অবধারিত ভাবে হ্যাকারদের শিকার হতে হবে।

৩. ব্যক্তিগত নম্বর ব্যবহার: আপনার সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত যে সমস্ত নম্বর, যেমন আপনার জন্মদিন কিংবা ফোন নম্বর পাসওয়ার্ডে রাখবেন না।

৪. পরিচিত কারোর নাম ব্যবহার: আপনার বান্ধবী, স্ত্রী, ভাই-বোন প্রমুখের নামও ফেসবুকে পাসওয়ার্ডে ব্যবহার না করাই ভাল। রাস্তার নাম, পাড়ার নামও এড়িয়ে চলুন।

৫. অদ্ভুত শব্দ ব্যবহার করুন: mdihKocI কিংবা hfJHifu-এরম মতো কোনও শব্দ পাসওয়ার্ডে রাখুন, যার কোনও অর্থই নেই। তার সঙ্গে অবশ্যই জুড়বেন নম্বর (ডিজিট), স্পেশাল ক্যারেকটার (স্টার কিংবা হ্যাশ)। অন্তত ১৪টি ক্যারেক্টার রাখবেন পাসওয়ার্ডে।

এই কৌশলে জেনে নিন ফেসবুকে কে আপনাকে আনফ্রেন্ড করল

ফেসবুক বন্ধুত্ব তৈরির অত্যন্ত জনপ্রিয় মাধ্যম। কিন্তু কখনও কখনও ফেসবুক-বন্ধুত্বও তৈরি করে তিক্ততা। সে ক্ষেত্রে অপছন্দের বন্ধুকে আনফ্রেন্ড করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। সে রকম ভাবে আপনিও ফেসবুকে কারো অপছন্দের তালিকায় পড়ে যেতে পারেন।

সে ক্ষেত্রে আপনাকেও আপনার কোনও ফেসবুক-বন্ধু আনফ্রেন্ড করে দিতে পারেন। ফেসবুক কিন্তু এ সমস্ত ক্ষেত্রে আপনাকে কোনও নোটিফিকেশন পাঠায় না। তা হলে অজস্র বন্ধুর মধ্যে কে আপনাকে হঠাৎ আনফ্রেন্ড করল, তা জানার উপায় কী? উপায় অতি সহজ। জেনে নিন-

১. গুগল ক্রোম খুলুন।

২. ডান দিকের উপরের কোণের তিনটি ডট-এ ক্লিক করে সেটিংস অপশন-এ যান।

৩. এক্সটেনশনস-এ ক্লিক করুন।

৪. পেজ-এর এক দম নীচে গেট মোর এক্সটেনশনস-এ ক্লিক করুন।

৫. সার্চ বক্স-এ লিখুন আনফ্রেন্ড ফাইন্ডার(unfriend finder)।

৬. সার্চ রেজাল্ট-এ ঠিক অপশনটির পাশে অ্যাড টু ক্রোম অপশনটিকে সিলেক্ট করুন। এক্সটেনশনটি অ্যাড হয়ে যাবে আপনার ব্রাউজারে।

৭. এ বার ক্রোম ব্যবহার স্বাভাবিক ভাবে ফেসবুক-এ লগ ইন করুন।

৮. একেবারে ডান দিকের উপরের কোণে আনফ্রেন্ড ফাইন্ডারের আইকনটিতে ক্লিক করুন। এই এক্সটেনশন দেখিয়ে দেবে, কে আপনাকে আনফ্রেন্ড করেছেন। এমনকী নতুন কেউ আপনাকে আনফ্রেন্ড করলেই আপনার কাছে নোটিফিকেশন চলে আসবে।

তবে এই এক্সটেনশন কেবল মাত্র গুগল ক্রোমের ডেস্কটপ ভার্সনেই কাজ করবে। মোবাইলে এই কৌশলে এক্সটেনশন অ্যাড করা যাবে না।

ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে ৪টি ভুল কখনো করবেন না

সাইবার দুর্নীতিবাজদের মধ্যে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। সামান্যতম সুযোগ পেলেই তারা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে ফেসবুক গ্রাহকদেরই। এবং এই সতর্কতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হল, এমন পাসওয়ার্ড নির্বাচন করা, যার নাগাল হ্যাকাররা চট করে পাবে না।

এবং সে ক্ষেত্রে শুধু স্পেশাল ক্যারেকটার ও ডিজিটের ব্যবহার, কিংবা বড় পাসওয়ার্ড নির্বাচন করলেই বিপদ এড়ানো যাবে, তা নয়।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে কয়েকটি সাধারণ ভুল কমবেশি সকলেই করে থাকেন। কী রকম? আসুন, জেনে নেওয়া যাক—

১. পর পর সংখ্যা ব্যবহার করা: ১,২,৩,৪,৫ কিংবা ০,৯,৮,৭,৬ এই ধরনের কোনও সংখ্যাক্রম কোনও পাসওয়ার্ডের কোনও অংশে রাখবেন না।

২. নিজের নাম বা পদবীর ব্যবহার: আর যা-ই করুন না কেন, নিজের নাম বা পদবী কোনও রকম ভাবেই পাসওয়ার্ডে ব্যবহার করবেন না। নতুবা অবধারিত ভাবে হ্যাকারদের শিকার হতে হবে।

৩. ব্যক্তিগত নম্বর ব্যবহার: আপনার সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত যে সমস্ত নম্বর, যেমন আপনার জন্মদিন কিংবা ফোন নম্বর পাসওয়ার্ডে রাখবেন না।

৪. পরিচিত কারোর নাম ব্যবহার: আপনার বান্ধবী, স্ত্রী, ভাই-বোন— প্রমুখের নামও ফেসবুকে পাসওয়ার্ডে ব্যবহার না করাই ভাল। রাস্তার নাম, পাড়ার নামও এড়িয়ে চলুন।

৫. অদ্ভুত শব্দ ব্যবহার করুন: mdihKocI কিংবা hfJHifu-এরম মতো কোনও শব্দ পাসওয়ার্ডে রাখুন, যার কোনও অর্থই নেই। তার সঙ্গে অবশ্যই জুড়বেন নম্বর (ডিজিট), স্পেশাল ক্যারেকটার (স্টার কিংবা হ্যাশ)। অন্তত ১৪টি ক্যারেক্টার রাখবেন পাসওয়ার্ডে।

দূর থেকে ফেসবুক লগ আউটের কৌশল!

সাধারণত নিজের মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ফেসবুক ব্যবহার করাই নিরাপদ। কোনো প্রয়োজনে হয়ত অন্যের ফোন বা পিসি ব্যবহার করতে হলো, কিন্তু লগ আউট করতে ভুলে গেলেন। চিন্তার কিছু নেই, দূর থেকেই করতে পারবেন লগ আউট।

অন্যের যন্ত্রে বা সাইবার ক্যাফেতে ফেসবুকে লগ আউট করতে ভুলে গেলে তা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই দূর থেকে লগ আউটের প্রক্রিয়াটি জেনে নিন-

প্রথমে ফেসবুক মেনুতে গিয়ে সেটিংস অপশন নির্বাচন করুন। এর বাঁ দিকে একটি সিকিউরিটি বাটন পাবেন। এটিতে ক্লিক করুন। এটি সিলেক্ট করে নিলে ডানদিকে কতগুলো অপশন পাবেন। যার মধ্যে হয়্যার ইউ আর লগড ইন অপশনটি বেছে নিয়ে এর পাশের এডিট বাটনটি চাপুন।

এরপর আপনি আপনার বর্তমান ফেসবুক ব্যবহারের সময়, স্থান ও যন্ত্রের ধরন প্রভৃতির বিবরণ পেয়ে যাবেন। যার প্রতিটি অপশনের পাশে এন্ড অ্যাকটিভিটি বাটনটি পাবেন।

এবার যে যন্ত্র থেকে লগ আউট করতে চান তার পাশে এন্ড অ্যাকটিভিটি বাটনটি চাপলেই লগ আউট হয়ে যাবেন। এছাড়া যতগুলো যন্ত্রে লগ ইন করা ছিল, চাইলে বাকিগুলো থেকেও লগ আউট করতে পারেন।

কারা আপনার ফেসবুক প্রোফাইল ঘেঁটে দেখছেন? জানুন এই সহজ কৌশলে!

ফেসবুক এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। কম-বেশি সকলেই চেষ্টা করেন, নিজের ফেসবুক প্রোফাইলটিকে যতটা সম্ভব আকর্ষণীয় করে তোলার।

কিন্তু সত্যিই আপনার প্রোফাইলের প্রতি কারা আকৃষ্ট হচ্ছেন, অথবা কারা আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে ভিজিট করছেন, কারাই বা নজর রাখছেন আপনার প্রোফাইল এবং পোস্টের উপর, তা জানার কোনও অপশন সাধারণ ভাবে ফেসবুক আপনাকে দেয় না। তা বলে এই কৌতূহল মেটানো একেবারেই অসম্ভব, তা কিন্তু নয়।

অতি সহজ একটি কৌশলে আপনি জেনে নিতে পারেন, কারা আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের ভিজিটর। জেনে নিন, কী ভাবে কার্যকর হবে সেই কৌশল—

১. প্রথমে কোনও কম্পিউটার থেকে গুগল ক্রোম ব্রাউজার খুলুন। ফেসবুকে লগ ইন করুন।

২. তার পর ডান দিকের উপরের কোণায় যে লম্বালম্বি যে তিনটি ডট চিহ্ন থাকে সেখানে ক্লিক করুন। অনেকগুলি অপশন খুলে যাবে। তার মধ্যে সেটিংগসটি সিলেক্ট করুন।

৩. বাঁ দিকে উপরের দিকে এক্সটেনশন নামের অপশনটি সিলেক্ট করুন। তার পর ক্লিক করুন গেট মোর এক্সটেনশনস অপশনটি।

৪. সার্চ বক্সে গিয়ে সার্চ করুন ফ্ল্যাটবুক (Flatbook). পেয়ে যাবেন ফ্ল্যাটবুক এক্সটেনশন।

৫. এক্সটেনশনের নামটির পাশে দেখবেন অ্যাড টু ক্রোম বলে একটি অপশন রয়েছে। সেটি সিলেক্ট করুন। এতে ওই এক্সটেনশন আপনার ক্রোম ব্রাউজারে অ্যাড হয়ে যাবে।

৬. এ বার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি রিফ্রেশ করুন বা নতুন করে ওপেন করুন। একটু অন্য চেহারায় বা থিমে ফেসবুক পেজটি খুলে যাবে।

৭. এই পেজেই ডান পাশের প্যানেলে প্রোফাইল ভিজিটর বলে একটি অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করলেই আপনার কোন কোন বন্ধু আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছেন তাঁদের নামের লিস্ট পেয়ে যাবেন।

যেভাবে ফেসবুকে দেখা Video History মুছে ফেলবেন

ফেসবুকে অনেকেই ছবির পাশাপাশি ভিডিও আপলোড করেন। সেসব ভিডিও অন্যরা দেখেন, শেয়ার করেন, মন্তব্য করেন। কিন্তু এসব ভিডিওর মধ্যে অনেক ভিডিও থাকে বিব্রতকর বা অশ্লীল। হয়ত ক্লিক করার আগে বিষয়টি আপনি বুঝতে পারেননি। কোন কোন ভিডিও আপনি ক্লিক করে দেখার পর অন্য ফেসবুক বন্ধুরা জানতে পারেন যে, এটি আপনি দেখেছেন। এটা আপনাকে অনেক সময় লজ্জ্বায় ফেলে দেয়। এছাড়া ভুল করে আপনি হয়ত বাসায় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করতে ভুলে গেছেন বা করেননি, তখন কেউ চাইলেই দেখতে পারবে আপনি কী ভিডিও দেখেছেন। যদি আপনি আপত্তিকর কোন ভিডিও ভুল করেও দেখে থাকেন সেটা আপনার পরিবারের সদস্যদের কাছে আপনাকে ছোট করতে পারে।

তাই কখনো ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকৃত এমন কোন ভিডিও দেখে থাকলে তার হিস্টিরি মুছে ফেলাই উত্তম। কীভাবে এই কাজটি করবেন তা দেওয়া হলো. . .

প্রথমে ফেসবুক লগ-ইন করুন। তারপর Activity Log এ যান, এখন More এ ক্লিক করুন। তারপর Videos Watched এ ক্লিক করলে দেখবেন আপনি যে ভিডিওগুলো দেখেছিলেন সেইগুলোর তালিকা চলে আসবে।

এখন Clear Video Watch History তে ক্লিক করে আবার Clear Video Watch History তে ক্লিক করলেই Video Watch History Delete হয়ে যাবে।

আর যদি নির্দিষ্ট কোন ভিডিও হিস্টিরি মুছে ফেলতে চান, তাহলে ওই ভিডিওটির ডানপাশে কার্সর নিলে Edit অপশন আসবে। সেখানে ক্লিক করে ডিলিট করে দেয়া যাবে নির্দিষ্ট ভিডিওটি।